মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কর্ম সম্পাদন চুক্তি

গণপ্রাজতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

মহাপরিচালক

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

আগারগাঁও,শেরেবাংলানগর,ঢাকা

এবং

উপ-পরিচালক

নাটোর জেলা কার্যালয়

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

এর মধ্যে স্বাক্ষরিত

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি

১ জুলাই,২০১৮------৩০ জুন,২০১৯ 

সূচিপত্র

সংস্থার কর্মসম্পাদনের সার্বিক চিত্র.....................................................................................................৩

প্রস্তাবনা............................................................................................................................................৪

সেকশন ১ঃ কার্যাবলী..........................................................................................................................৬

সেকশন ২ ঃকার্যক্রম,কর্মসম্পাদন সূচক এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ.............................................................৭

সংযোজনী ১ঃ শব্দসংক্ষেপ ..............................................................................................................১২

সংযোজনী ২ ঃ কর্মসম্পদন সূচকসূমহ,বাস্তবায়নকারী দপ্তর সংস্থা/সমূহ এবং পরিমাপ পদ্ধতি..............১৩

সংযোজনী ৩ঃ কর্মসম্পাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্য মন্ত্রণালয় বিভাগের/উপর নির্ভরশীলতা........১৪

 

 

 

ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাটোর জেলা কার্যালয়ের কর্মসম্পাদনের সার্বিক চিত্র 

সম্পাদিত অর্জন,চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা

সাম্প্রতিক বছরসমূহের (০৩) বছরের প্রধান প্রধান অর্জন

ইসলামের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান েএক অধ্যাদেশ বলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে ১৯৭৫ সালের ২৮ মার্চ বাংলাদেশ জাতীয় মূল্যেবোধের লালন ও চর্চা করার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে থাকে।

বর্তমানে  ইসলামিক ফাউন্ডেশন ধর্মীয়-এর অর্থ সামাজিক উন্নয়ন বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের নাটোর জেলার  ৮৮৯ টি প্রাক-প্রাথমিক,সহজ কুরআন শিক্ষা ও বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। বিগত ৩ বছরে ৩০,৫১০ জন শিশুকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা ২৭,৭২০ জন শিক্ষার্থীকে কোরআন শিক্ষা েএবং ৯০০ জন বয়স্ককে ধর্মীয় ও নৈতিকতা বিষয়ক শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে। মানুষের মধ্যে নৈতিকতা ও ইসলামিক মূল্যবোধের বিকাশ সাধন ও ইসলামের প্রচার প্রসারের লক্ষ্যে বিগত বছরসমূহে সর্বমোট ৪৫৮টি টাইলের৯,২৩০ টি বই বিপনন করা হয়েছে। ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ/ইমাম সাহেবগণ তৃণমূল পর্যায়ের জনগণের সবচেয়ে নিকটতম ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য হয়ে থাকেন। সমাজের নৈতিক ও আর্থ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে  ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীর মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। বিগত ৩ বছরে ১৫১ জনকে ইমাম প্রশিক্ষণের জন্য মনোনিত করা হয়েছে। স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত শিশু কিশোরদের নৈতিকতা উন্নয়নের জন্য ২৯০ টি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিগত ৩ বছরে মোট ৪,৩১,০০০/- টাকা যাকাত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ১২৫ জনকে যাকাত প্রদান করা হয়েছে। ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্ট-এর মাধ্যমে ৬৬ জনকে আর্থিক সাহায্যে প্রদান  এবং ৪২ জনকে সুদমুক্ত ঋণ প্রদান করা হয়েছে।

সমস্যা এবং চ্যালেঞ্জসমূহঃ-

১। ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাটোর জেলা কার্যালয়ের নিজস্ব ও স্থায়ী অফিস ভবন না থাকায় কাংখিত লক্ষ্য অর্জনে সমস্যা হচ্ছে।’

২। মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম দেখশোনা তথা তত্বাবধানে গাড়ী না থাকায় সমস্যা।

৩।উপজেলা পর্যায়ে পূর্ণাঙ্গ অফিস না থাকায় তৃণমূলের কাজে সফলতা অর্জনে সমস্যা।

৪। ডিজিটাল কার্যক্রমের ক্ষেত্রে দক্ষ জনবলের অভাব।

৫।ডিজিটাল কার্যক্রমের জন্য প্রয়োজনীয় মেশিন পত্র না থাকা।

৬।কর্মকর্তা কর্মচারীদের ডিজিটাল বিষয় সহ সার্বিক দিকের প্রশিক্ষণের অভাব।

৭। মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের জনবলের চাকুরী স্থায়ী করনের তথা রেভিনিউ ভুক্ত না হওয়ায় হতাশা সৃষ্ঠির কারণে কার্যক্রম গতিশীল না থাকায় কাজে স্পৃহা বৃদ্ধিতে সমস্যা।

৮। সকল জনবলের নিয়মিত পদোন্নতি গতিশীল না থাকায় কাজে স্পৃহায় সমস্যা।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাঃ-

১। ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাটোর জেলা কার্যালয়ের নিজস্ব ও স্থায়ীভবন স্থাপনে খাস জমি বন্দোবস্তের জন্য উদ্যেগে গ্রহণ করা ।

২।ডিজিটাল কার্যক্রমের উপর জনবলের দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসার উদ্যেগ গ্রহণ করা হবে।

৩।জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কাজকে সফল করার লক্ষ্যে গাড়ী বরাদ্দের জন্য কর্তৃপক্ষের নিকট জোর আবেদন থাকবে।

৪। উপজেলা পর্যায়ে পূর্ণাঙ্গ অফিস স্থাপনের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের দৃষ্ঠি আকর্ষন করা হবে।

৫। সকল জনবলের নিয়মিত পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্ঠির জন্য ইফাঃ কর্তৃপক্ষের দৃষ্ঠি আকর্ষন করা হবে।

৬। মসজিদভিত্তিক প্রকল্পের জনবলের চাকুরী স্থায়ীকরনের ব্যাপারে জোর সুপারিশ থাকবে।

২০১৭-১৮ অর্থবছরের সম্ভাব্য অর্জনসমুহঃ-

  • মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ৮০৭ টি শিক্ষাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
  • কেন্দ্র সমূহে ভর্তিকৃত শিক্ষাথীর সংখ্যা-৫৯,১৩০ জন।
  • ১৪ টি দারুল আরকাম ইবতেদায়ি মাদ্রাসা চালুকরণ।
  • উপজেলা পর্যায়ে ১০ টি ওয়াজ/মাহফিল বাস্তবায়ন ।
  • জেলা পর্যায়ে ০১ টি ওয়াজ/তাফসির মাহফিল বাস্তবায়ন।
  • জেলা পর্যায়ে ০৫ টি সেমিনার/সিম্পেজিয়াম বাস্তবায়ন।
  • জেলা পর্যায়ে ০১ টি মডেল মসজিদের স্থান নির্ধারন।
  • উপজেলা পর্যায়ে ০৭ টি মডেল মসজিদের স্থান নিধারণ।
  • কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় বিতরণযোগ্য ঋণের টাকার পরিমান-১,৬৮,০০০/- টাকা।
  • কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় বিতরণযোগ্য আর্থি ক সাহায্যের টাকার  পরিমান-১,৪০,০০০/- টাকা।
  • যাকাত সংগ্রহ-৩,৫০,০০০/- টাকা।
  • বই বিক্রয় ৩,৫০,০০০/- টাকা।
  • যাকাত বোর্ডের মাধ্যমে দুঃস্থদের ১,০৭,০০০/- টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদান।
  • ৪০ জন দুঃস্থকে  আত্মকর্মসংস্থানের জন্য উপকরণ বিতরণ করা।
  • ১৪ টি মসজিদ পাঠাগার স্থাপনক করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ।
  • প্রতিটি উপজেলায়  একটি করে মোট ০৭ টি মডেল রিসোর্স সেন্টার।

 

সরকারী দপ্তর/সংস্থাসমুহের প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি,স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করা,সুশাসন সংহতকরণ এবং সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরনের মাধ্যমে রুপকল্প 2021 এর যথাযথ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে-

 

 

উপ-পরিচালক,ইসলামিক 

নাটোর জেলা কার্যালয়

এবং

মহাপরিচালক,ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় এর মধ্যে ২০১৮ সালের জুন মাসের ২৮/০৬/২০১৮ তারিখে এই বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো।

এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী উভয়পক্ষ নিম্নলিখিত বিষয় সমূহ সম্মত হলেনঃ-

রুপকল্প ,অভিলক্ষ কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ এবং কার্যাবলী

১.১.রুপকল্পঃ- ইসলামিক মূল্যবোধ সম্পন্ন সমাজ বিনির্মান।

১.২. অভিলক্ষঃ- ইসলামি শিক্ষা,প্রশিক্ষণ,পুস্তক বিপনন,আলোচনা সভা/সেমিনার,ওয়াজ-মাহফিল,আর্থিক সাহায্য প্রদান  এবং দ্বীনী দাওয়াতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন।

১.৩. ‍Stategic objectives- ১. স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি এবং ধর্মীয়,নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ।

২.দরিদ্র ও অসহায় মানুষের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন ।

৩. জাতীয় ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস উদযাপন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম বাস্তবায়েনের মাধ্যমে েইসলামি সাংস্কৃতিক বিকাশ লালন।

১.৪ কার্যাবিলঃ-

(ক)ইসলামিক (ফাউন্ডেশনের আওতায় মসজিদ ও ইসলামি কেন্দ্র,একাডেমী ও  ইনস্টিটিউট রক্ষনাবেক্ষন করা।

(খ) সংস্কৃতি,চিন্তা,বিজ্ঞান ও সভ্যতার ক্ষেত্রে ইসলামের অবদানে মানুষের মাঝে পরিচিতির লক্ষ্যে লাইব্রেরী পরিচালনা।

(গ) ইসলামের মৌলিক   আদর্শ,বিশ্ব-ভ্রাতৃত্ববোধ,পরমতসহিষ্ণুতা,ন্যায়বিচার প্রভৃতি প্রচার করা ও প্রচারের কাজে সহায়তা করা এবং সাংস্কৃতিক,সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে মূল্যবোধ ও নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য  প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা।

(ঘ) ইসলাম  ও ইসলামের বিষয় সম্পর্কিত বই-পুস্তক,সাময়ীকি ও পুস্তিকা বিপনন  ও বিতরণ।

(ঙ) ইসলামের ইতিহাস,দর্শন,সংস্কৃতি,আইন ও বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কিত বিষয়াদির উপর সম্মেলন বক্তব্য,বিতর্ক ও সিম্পেজিয়ামের আয়োজন করা ।

(চ) জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাস দমনের লক্ষ্যে ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা জনগণের নিকট তুলে ধরার নিমিত্ত ওয়াজ মাহফিল/সেমিনার/আলোচনা সভার আয়োজন করা।

(ছ) নারী ও শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠা,যৌতুক নিরোধ,মাদক প্রাচার রোধ ইত্যাদি বিষয়ে আলেম ওলামাদের মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করা।

(জ) সাম্প্রদায়িকতা সম্প্রীতি সুরক্ষা,জঙ্গীবাদ প্রতিরোধ এবং বিদ্যমান সামাজিক সমস্যাদি নিরসনের লক্ষ্যে যুগোপযোগী খুতবা প্রদানের ইমাম খতিবদের উদ্বদ্ধকরন।

(ঝ) ধর্মীয়,কুরআন শিক্ষা,প্রাক-প্রাথমিক,দারুল আরকাম ইবেতদায়ী মাদ্রাসার মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা।

 

 

আমি উপপরিচালক ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাটোর জেলা কার্যালয় পরিচালক,ইসলামিক ফাউন্ডেশন রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয় এর নিকট অঙ্গিকার করছি যে এই চুক্তিতে বর্ণিত ফলাফল অর্জনে সচেষ্ট থাকব।

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter